সরকারকে অনেক বেশি ড্যামারেজ দিতে হবে: রিজভী

লেট ক্লিয়ারিংয়ের জন্য সরকারকে অনেক বেশি ড্যামারেজ দিতে হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘আমি সরকারকে বলতে চাই,

এই মুহূর্তে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে তার যথাযথ চিকিৎসা দিতে হবে। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। নইলে লেট ক্লিয়ারিংয়ের জন্য অনেক বেশি ড্যামারেজ দিতে হবে।’

মঙ্গলবার (১৯ জুন) বেলা ১২টার দিকে নয়াপল্টন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে আগামী ২১ জুন সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশে করার ঘোষণা দেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশে চলছে এক আজব শাসন। এখানে বিরোধী দল, বিরোধী মতের বিশ্বাসী মানুষরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অবৈধ ক্ষমতার শক্তিতে এখন দেশে দণ্ডমুণ্ডের কর্তা সেজে বসেছে।’

খালেদা জিয়ার ওপর নানা কায়দায় অমানবিক নির্যাতন চলছে অভিযোগ করেছেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘তার যাতে যথাযথ চিকিৎসা না হয় সেজন্য সরকার এমন কোনও ফন্দি নেই যে করেনি। চিকিৎসা বিলম্বিত করতে মন্ত্রীরা নানা কাহিনি শোনাচ্ছেন।

এখন শুধু কারা কর্তৃপক্ষই নয়, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী,সেতুমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তারা এমন কথা বলছেন, যেন খালেদা জিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা হলে তাতে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, সরকার খালেদা জিয়াকে হাতের মুঠোয় রাখতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে বাইরে চিকিৎসার ব্যবস্থা করাতে চায় না। তিনি আগে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে এখনও সেখানে চিকিৎসা করাতে চান। উৎস- বাংলা ট্রিবিউন

পেট ব্যাথা দূর করতে প্রাকৃতিক খাবার

যাঁরা পেটের রোগী তাঁরা কারণে অকারণে পেটের সমস্যায় ভোগেন। হতেই পারে সেটা অতিরিক্ত গরম থেকে, কিংবা বর্ষায় ফুড পয়জনিং, ক্রমাগত জাঙ্ক ফুড খেয়ে পেটে সংক্রমণ, খাবার থেকে অ্যালার্জি, অত্যধিক স্ট্রেস, অপরিমিত মদ্যপান অথবা পেটরোগা বলে। এই ব্যথা অনেক সময় মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া ব্যবহার করতে পারেন। দেখে নিন কি কি ঘরোয়া পদ্ধতি এক্ষেত্রে কাজে আসে-

১) ডাবের জল-
বারেবারে ব্যথা মানেই শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য আর জলের অভাব। এই অভাব পূরণে ডাবের জলের কোনও বিকল্প নেই। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি দূর করে পেটের উন্নতি ঘটাতেও এই প্রাকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। পেট খারাপ হলে দিনে কম করে ২ গ্লাস ডাবের জল খেতে হবে।

২) দই-
পেটখারাপ হলেই একবাটি তাজা টকদই চাইই। তাহলেই বারেবারে বাথরুম ছুটতে হবে না। টকদইয়ে প্রচুর পরিমাণে ল্যাক্টোব্যাসিলাস এবং বিফিডোব্যাতটেরিয়াম নামে দু’ধরনের ব্যাকটেরিয়া আছে, যা হজমক্ষমতার উন্নতির পাশাপাশি ডায়ারিয়া কমাতে সাহায্য করে। রোজ ২-৩ কাপ টকদই খেলে এমনিতেই পেট ভালো থাকবে।

৩) লেবুর জল-
পেটের সমস্যায় লেবুর জলের সত্যি-ই কোনও বিকল্প নেই। লেবুতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ পেটের প্রদাহ কমায়। সেই সঙ্গে ফলটিতে থাকা নানা খনিজ, বিশেষত পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম পেটের রোগের সমস্যা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই পেটখারাপে বারেবারে লেবু-নুন-চিনির জল দিতেই পারেন রোগীকে। এছাড়া,রোজ ভাতের সাথে একটুকরো লেবু খেলে শরীরে ভিটামিন সি-র অভাব মেটে।

৪) অ্যাপেল সিডার ভিনিগার-
চটপট পেটখারাপ কমাতে চান। তাহলে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার আপনার জন্য উপযুক্ত। এতে থাকা প্যাকটিন পেটের যন্ত্রণা কমায়। কিন্তু সরাসরি তো অ্যাপেল সিডার ভিনাগার খাওয়া যায় না। এক গ্লাস জলে এক চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে নিন। খাবার খাওয়ার পরে এক গ্লাস করে এই পানীয় খেলে দারুণ উপকার পাবেন। চাইলে এই মিশ্রনে অল্প মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন।

৫) আদা-
পেটখারাপ কমাতে আদা এক এবং অদ্বিতীয়। কারণ এতে উপস্থিত অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ এই রোগ সারাতে দারুণ কাজে দেয়। এক কাপ বাটার মিল্কে আধ চামচ আদাগুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। এই পানীয়টি দিনে ৩-৪ বার খেলেই দেখবেন সমস্যা কমতে শুরু করে দিয়েছে। যাঁদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাঁরা ভুলেও এই ঘরোয় পদ্ধতিটিকে কাজে লাগাবেন না।

জাপার সঙ্গে আ’লীগের আসন সমঝোতা

অতীতের মতো আগামী নির্বাচনেও জাতীয় পার্টির (জাপা) সঙ্গে আসন সমঝোতায় যেতে পারে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। তবে বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে নির্বাচনের ব্যাপারে বিএনপির গতিবিধির ওপর।

এ বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে নির্বাচনী জোট নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। একইসঙ্গে আলোচনা চলছে আসন সমঝোতার বিষয়টি নিয়েও। বিভিন্ন দল ও জোটে আসন সমঝোতা বা ভাগাভাগির হিসাব-নিকাশও শুরু হয়ে গেছে।

বিগত দু’টি নির্বাচনেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি আসন সমঝোতার ভিত্তিতে অংশ নিয়েছে। আগামী নির্বাচনেও জাতীয় পার্টির সঙ্গে আসন সমঝোতার ব্যাপারে দলটির অবস্থান ইতিবাচক। তবে এক্ষেত্রে নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কি-না, তার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করছে বলে জানাচ্ছেন আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারক নেতারা।

ক্ষমতাসীন দলটির কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাতীয় পার্টি এবং ১৪ দলের শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়টি কী হবে সেটা নির্ভর করবে নির্বাচনে বিএনপির আসা না আসার ওপর। অথবা নির্বাচনে এলেও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের পরিধি কী হবে, সে বিষয়টিও আওয়ামী লীগের চিন্তা-ভাবনা ও বিবেচনায় রয়েছে।

আবার বিএনপির মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের তৎপরতা আছে। বিএনপি নির্বাচন না এলেও দলটির একটি অংশের নির্বাচনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আওয়ামী লীগ মনে করে। সার্বিক এসব বিষয় স্পষ্ট হওয়ার পরই জাতীয় পার্টির সঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে আওয়ামী লীগের ওই নেতারা জানান।

গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল জোটগতভাবে অংশ নেয়। এর আগে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটে থেকে জাতীয় পার্টি আসন সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশ নেয়।

গত নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জোটের বাইরে থাকলেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতা করে। বর্তমানে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে। একইসঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায়।

ওই নেতারা বলছেন, নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে এবারও জাতীয় পার্টির সঙ্গে আসন সমঝোতার ভিত্তিতেই নির্বাচন করতে চাইবে আওয়ামী লীগ। আবার বিএনপি নির্বাচনে না এলেও গত নির্বাচনের মতো দলটির সঙ্গে আসন সমঝোতা হতে পারে। তবে এ ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

অন্যদিকে ১৪ দলীয় জোটও আসন সমঝোতার ভিত্তিতেই আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে বলে প্রায় চূড়ান্ত। তবে এ জোটের শরিকদের মধ্যে আসন ভাগাভাগির বিষয়টিও বিএনপির গতিবিধি ওপর নির্ভর করবে। শেষ মুহূর্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান আওয়ামী লীগের ওই নেতারা।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, জাতীয় পর্টির সঙ্গে কী হবে এটা এতো আগেই বলা যায় না। তবে ১৪ দল আছে থাকবে।

জাতীয় পার্টির কোনো নেতিবাচক আচরণ আমরা সংসদে দেখিনি। আমাদের অনেক বিষয়ের সঙ্গে তারা একমত। আবার অনেক বিষয় যেটা তারা একমত নয়, সেটা তারা সংসদে বলে। তাদের বলার স্বাধীনতায় কেউ বাধা দিচ্ছে না। নির্বাচনে কার অবস্থান কী হবে সেটা বলতে পারি না। তবে আমাদের দিক থেকে অবস্থান ইতিবাচক।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এ বিষয়ে বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কি-না, কী ধরনের আচরণ করে সেটা দেখার বিষয়। আবার বিএনপি কী ধরনের জোট করে সেটা দেখে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাই এই মুহূর্তেই কিছু বলা যাচ্ছে না।

প্রতিদিন কেন ডিম খাবেন?

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম থাকে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এই এক ডিম দিয়েই তৈরি করা যায় অসংখ্য রকমের খাবার। ডিমে রয়েছে প্রোটিন। আমাদের রোজকার খাদ্য তালিকায় ডিম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। তবে কেউ কেউ ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে, রক্তে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার ভয়ে কিংবা হূদরোগের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য ডিম খেতে চান না। কিন্তু এগুলো নিতান্তই ভুল ধারণা। ছোট্ট একটি ডিম নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। আসুন জেনে নেই রোজ একটি ডিম খেলে কি কি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিম-এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। ডিমের কেরোটিনয়েড, ল্যুটেন ও জিয়েক্সেনথিন চোখের ছানি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। ছোট্ট একটি ডিম হাজারো ভিটামিনে ভরা। এর ভিটামিন বি-১২ আমাদের গ্রহণকৃত খাবারকে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে ভিটামিন ডি, যা পেশীকে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। ডিমের সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের নাস্তায় একটি ডিম খেলে সারাদিন আপনার ক্ষুধা কম হবে। তাই খাওয়াও হবে কম।

গবেষণায় দেখা যায় শরীর থেকে দিনে প্রায় ৪০০ ক্যালরি কমাতে পারে সকালে একটি ডিম খাওয়াতে। একটি ডিমে রয়েছে ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন বা ৭০-৮৫ ক্যালরি। যা রোজকার প্রোটিনের চাহিদার অনেকটা পূরণ করে। ডিমে রয়েছে আয়রন, জিংক, ফসফরাস। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আর ফসফরাস হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে।

একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ডিম কোলেস্টেরল বাড়ায় না। দিনে একটা ডিম খেলেও আপনার লিপিড প্রোফাইল কোনও প্রভাব পড়বে না। একটি ডিমে প্রায় ৩০০ মাইক্রোগ্রাম কোলাইন থাকে। যা কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম, স্নায়ু, যকৃত ও মস্তিষ্ককের জন্য ভাল। চুল ও নখের মান উন্নত রাখতে নিয়মিত ডিম খান। কারণ ডিমের মধ্যে থাকা সালফার চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ডিমের নানাবিধ গুণের কারণে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডিম রাখুন। সুস্থ থাকুন।

বহুদিন পর্যন্ত ডিমকে ”শরীরের শত্রু” বলে প্রচার করা হয়েছে। ডিম স্যালমোনেলা জীবাণুর উৎস, ডিম শরীরে কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়- এমন খবর সংবাদমাধ্যমে প্রায়ই এসেছে। কাজেই এখন ডিম নিয়ে বিজ্ঞানীদের মতবাদ পাল্টে যাচ্ছে কেন?

এখন বেশিরভাগ ডাক্তারই স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় ডিম রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। তারা বলছেন, বেশিরভাগ পুষ্টিকর উপাদান প্রাকৃতিকভাবে যেসব খাবারে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় তার মধ্যে অন্যতম হল ডিম।

যেমন, ডিমে আছে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ভিটামিন এ, ডি, বি এবং বি-টুয়েলভ্। এছাড়াও ডিমে আছে লুটেইন ও যিয়াস্যানথিন নাম দুটি প্রয়োজনীয় উপাদান যা বৃদ্ধ বয়সে চোখের ক্ষতি ঠেকাতে সাহায্য করে।

ব্রিটিশ ডায়েটিক অ্যাসোসিয়েশনের ড: ফ্র্যাঙ্কি ফিলিপস্ বলছেন, ”দিনে একটা – এমনকি দুটো ডিমও স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।” ”বেশি ডিম খাওয়ায় ভয়ের কোন কারণ নেই।”

ব্রিটিশ হার্ট ফাউণ্ডেশন নামে একটি সংস্থা বলছে, কোলেস্টেরল বিষয়ে নতুন যেসব তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে তার আলোকে সপ্তাহে তিনটির বেশি ডিম না খাওয়ার যে পরামর্শ তারা ২০০৭ সালে দিয়েছিল তা তারা তুলে নিচ্ছে।

খুলনায় সহজেই নৌকা পাচ্ছেন না ‘তারেকপন্থী’ সালাম মুর্শেদী

খুলনা ২ অথবা ৪ আসনে খুব সহজেই নৌকার মনোনয়ন পাচ্ছেন না হঠাৎ করে আওয়ামী লীগার বনে যাওয়া সাবেক তারকা ফুটবলার ও ব্যবসায়ী নেতা সালাম মুর্শেদী। আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য সূত্র ভোরের পাতাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন, দুর্নীতি মামলার দণ্ডিত আসামি এবং বিদেশে পলাতক দুর্নীতির বরপুত্র তারেক রহমানের সেই হাওয়া ভবনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষাকারী হিসাবে পরিচিত ব্যবসায়ী নেতা ও

সাবেক তারকা ফুটবলার আব্দুস সালাম মুর্শেদী কিভাবে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন তা নিয়েও চলছে নানামুখী জল্পনা কল্পনা। রাজনীতির মাঠ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও বিষয়টি নিয়ে নানামূখী কথাবার্তা চলছে।

খুলনা অঞ্চলের তৃণমূল আওয়ামী লীগের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তৃণমূল থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে কোনোদিন আওয়ামী লীগ না করেও উড়ে এসে নৌকার মনোনয়ন চাইলে যারা এতদিন ধরে দলের জন্য নিবেদিত ছিলেন তাদের কি হবে? তাদের ত্যাগের কি কোনো মূল্য নেই।

এদিকে, খাজা খানজাহান আলী (র.) স্মৃতি বিজড়িত ও ভৈরব-রূপসা বিধৌত খুলনায় নৌকার মাঝি হচ্ছেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সালাম মুর্শেদী এমন আভাস পরিষ্কার হয়েছে গত ৩ মার্চ আওয়ামী লীগের খুলনার নির্বাচনী জনসভায়।

প্রাথমিকভাবে সংসদ নির্বাচনের জন্য দুটি আসন বাছাই করা হয়েছে বলে সালাম মুর্শেদী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই তিনি মার্চে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন।

এক সময়ের তারকা ফুটবলার সালাম মুর্শেদী গণমাধমকে বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি ফুটবল ছাড়া কিছুই বুঝতাম না। ফুটবলই ছিল আমার জীবন। জাতীয় পর্যায়ে খেলে সফলও হয়েছি। ‘এখন আমি মনে করি, রাজনীতি করে দেশের মানুষের জন্য আমার কিছু করার আছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে খুলনা থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।’খুলনার স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা জানিয়েছেন, জেলার দুটি আসন সালাম মুর্শেদীর জন্য প্রাথমিকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর একটি খুলনা-২ (সদর) এবং অপরটি খুলনা-৪ (রূপসা-দীঘলিয়া-তেরখাদা)।

এদিকে, খুলনা-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা। এ আসনে সালাম মুর্শেদী ছাড়াও ওয়ালটনের মিডিয়া উপদেষ্টা এনায়েত ফেরদৌসও দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার দৌঁড়ে রয়েছেন।

বর্তমান এমপি মোস্তফা রশিদী সুজা অসুস্থ থাকায় তার ছেলেও সেখানেও প্রার্থী হবেন। ড. মশিউর রহমানের মতো শক্তিশালী প্রার্থী এবং এনায়েত ফেরদৌসের মতো তরুণ প্রার্থীদের বাদ দিয়ে সালাম মুর্শেদীর মনোনয়ন পাওয়া সহজ হবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, খুললা ২ আসনে (সদর থানা ও সোনাডাঙ্গা) : বর্তমান এমপি মিজানুর রহমান মিজান নৌকার মনোনয়ন দৌঁড়ে একক প্রার্থী হিসাবেই বিবেচিত হচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটি ধরে রাখতে এখনো পর্যন্ত মিজানুর রহমান মিজানের বিকল্প পাওয়া যায়নি। তাই খুলনা সদরেও সহজে নৌকার মনোনয়ন পাচ্ছেন না সালাম মুর্শেদী।

আওয়ামী লীগের খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘আমরা চাই সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সামিল হোক। এ জন্যই সালাম মুর্শেদীকে নৌকার হাল দিতে চাই আমরা।’

তবে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং নতুন মেয়র তালুকদার মোহাম্মদ আব্দুল খালেক বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাতেই আমরা তাকে দেখেছি। তার সঙ্গে আমাদের কোন যোগাযোগ হয় নাই।’

‘দলীয় হাইকমান্ড কাকে মনোনয়ন দেবেন তা আমাদের কাছে স্পষ্ট না।’এসব বিষয়ে সালাম মুর্শেদীকে সোমবার রাত ১০ টা ৩ মিনিটে ভোরের পাতার টেলিফোন থেকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। উৎসঃ ভোরের পাতা

সুস্থতায় প্রতিদিনের সঙ্গী মধু এবং দারুচিনি!

সুস্থভাবে বাঁচতে চান নাকি ডাক্তারের সেবায় শ্বাস নিতে চান। সবাই তো সুস্থভাবেই বাঁচতে চায়। এমন কাউকে কি খুঁজে পাবেন যে বলবে যে আমি অসুস্থ হতে চাই। তাই যদি হয় তাহলে মধু এবং দারুচিনি খাওয়ার অভ্যাস করেননি কেন? একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই দুই প্রাকৃতিক উপাদান একসঙ্গে খেলে শরীরে ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা এমন মাত্রায় বেড়ে যায় যে, মেলে আরও অনেক শারীরিক উপকার। যেমন ধরুন…

১. দাঁত ভাল রাখে: দারুচিনি এবং মধুতে এমন কিছু পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে যা শরীরে প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন দাঁতকে শক্তপোক্ত করে, তেমনি মুখগহ্বরে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। ফলে মুখের দুর্গন্ধ যেমন দূর হয়, তেমনি কোনও ধরনের ডেন্টাল প্রবলেম মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

২. ওজন হ্রাসে সাহায্য করে: স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত সকালে উঠে গরম জলে মধু এবং দারুচিনি মিশিয়ে খেলে শরীরে ভিতর এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে মেদ ঝরার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। ফলে ওজন হ্রাস পেতে সময় লাগে না।

৩. আর্থ্রারাইটিসের প্রকোপ কমায়: নিয়মিত গরম পানিতে পরিমাণ মতো মধু এবং দারুচিনি পেস্ট মিশিয়ে খেলে জয়েন্টে প্রদাহ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হাড়ও শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আর্থ্রারাইটিসের মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।

৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে: পরিবারের যাদের এই মরণ রোগের ইতিহাস রয়েছে তারা আজ থেকেই দারুচিনি এবং মধু খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই দুই প্রকৃতিক উপাদান ইনসুলের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৫. ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে রাখে: মধুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, যা শরীর থেকে টক্সিক উপাদানদের বের করে দিয়ে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা কমায়। অন্যদিকে দারুচিনিতে উপস্থিত অ্যান্টি-টিউমার প্রপাটিজ শরীরে কোথাও টিউমার হতে দেয় না। ফলে ক্যান্সার রোগ ধারে কাছে ঘেঁষার সুযোগই পায় না।

৬. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়: শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বা এল ডি এল মাত্রা কমানোর মধ্যে দিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে দারুচিনি এবং মধু বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, মধুতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্টের ভিতরে প্রদাহ কমায়। ফলে কোনও ধরনের হার্ট ডিজিজ হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে কমে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও।

বিএনপির কর্মসূচি সম্পর্কে যা বললেন: কাদের

ঢাকা: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক এগারোর কুশিলবদের নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তাদের কোনো ষড়যন্ত্রেই কাজ হবে না। সব ষড়যন্ত্র দেশের জনগণ রুখে দেবে।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমন্ডলীর সাথে সহযোগী সংগঠনের যৌথ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এসময় কাদের বলেন, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি কোথায় কী করছে, সেই তথ্য সরকারের কাছে আছে। দেশের জনগণের প্রতি আস্থা না থাকায় বিএনপির নেতারা বিদেশিদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছে। বিদেশ গিয়ে ও কূটনৈতিকদের কাছে নালিশ করছে দলটি।

‘বিএনপি নির্বাচনে না আসলে সরকার কি করবে?’ – এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনে আসার পথে বাঁধা নয়।

কোন গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধী দলকে সরকার নির্বাচনে ডেকে আনে? তারা নিজেদের গণতান্ত্রিক দল দাবি করে আর নির্বাচনে আসবে না, এটা তাহলে কি?’ আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিবে কিনা এটা নিয়ে আওয়ামী লীগের মাথাব্যাথা নেই বলেও জানান তিনি।

খালেদা জিয়ার সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা নির্বাচনে সেনাবাহিনী চায়। কিন্তু সেনাবাহিনীর হাসপাতালে তাদের অনিহা। সিএমএইচ হাসপাতালের চেয়ে ভাল হাসপাতাল আছে বলে আমার জানা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. দিপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহমান, আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।

খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার দাবিতে বিএনপির নতুন কর্মসূচি

ঢাকা : কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে বৃহস্পতিবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।

মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, এ মুহূর্তে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। ইউনাইটেড হাসপাতালে তার যথাযথ চিকিৎসা দিতে হবে।

এ দাবি আদায়ে বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ দেশের সব মহানগর ও জেলা সদরে বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেন রিজভী।

তবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের কারণে গাজীপুর সিটি এলাকা এ কর্মসূচির বাইরে থাকবে বলে তিনি জানান।

রিজভী অভিযোগ করেছেন, খালেদা জিয়াকে শুধু অন্যায়ভাবে সাজাই দেয়া হয়নি, এখন তার ওপর চলছে নানা কায়দায় অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতন। তার শারীরিক অসুস্থতার যাতে যথাযথ চিকিৎসা না হয়, তার জন্য সরকার এমন কোনো ফন্দি নেই যা আঁটছে না।

রাগী মানুষের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি?

হাইপ্রেশার নেই বলে আপনি যদি ভাবেন ঝামেলামুক্ত, সেটাও নয়। রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে এমন ১২ হাজার নয়শ ৮৬ জন নারী-পুরুষের ওপর গবেষণা করে ২০০০ সালে এক প্রবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যাদের রাগ খুব বেশি তাদের মধ্যে ইস্কিমিক হার্ট ডিজিসের আশঙ্কা স্বাভাবিক মানুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ও হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা তিন গুণ।

স্বাভাবিক মানুষ বলতে একেবারে মাটির মানুষ হতে হবে এমন নয়। মাঝে মধ্যে অল্পস্বল্প রাগ করলেন, মানুষকে দু-চার কথা শোনালেন, কি চুপ করে বসে থাকলেন, তাতে তেমন ক্ষতি নেই। বিপদ, রাগ মাত্রা ছাড়ালে। বিপদ, ক্রনিকালি রেগে থাকলে।

বিজ্ঞানীদের মতে, চণ্ডাল রাগ সরাসরি জখম করে হার্ট ও ধমণীকে। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশি রাগ ওঠামাত্র শরীরে শুরু হয় ফাইট অর ফ্লাইট রেসপন্স। তার হাত ধরে প্রচুর স্ট্রেস হরমোন তথা নিউরোকেমিক্যাল বেরোতে শুরু করে। তাদের প্রভাবে হার্টরেট ও প্রেশার বাড়ে।

এছাড়া করোনারি আর্টারি সঙ্কুচিত হয়। আবার করোনারি আর্টারিতে যদি কোনো চর্বির প্লাক জমে থাকে তা ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই সব ইফেক্ট থাকে প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত। ফলে এই সময় হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বেড়ে যায় বলেও মনে করেন তারা।

প্রচণ্ড রাগের মুহূর্তে যারা ব্যায়াম করে রাগ কমাতে যান, তাদের আশঙ্কা আরো বেড়ে যায়। আবার প্রচণ্ড স্ট্রেসের ফলে হার্টের ইলেকট্রিকাল ইমপাল্স ডিসরাপ্টেড হয়ে সূত্রপাত হয় বিপজ্জনক হার্ট রিদম ডিস্টারব্যান্সের। সেখান থেকেও প্রাণ যেতে পারে।

৩ সিটি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন বিক্রির তারিখ ঘোষণা

ঢাকা: রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী বাছাই করতে মনোনয়ন ফরম বিক্রির তারিখ ঘোষণা করেছে বিএনপি। আগামীকাল বুধবার থেকে এই ফরম বিক্রি শুরু হবে।

মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী জানান, নয়াপল্টন কার্যালয় থেকে ফরম বিক্রি হবে বুধবার। পরদিন বৃহস্পতিবার তা জমা নেয়া হবে একই স্থানে। সকাল ১০টা থেকে ৪টা পর্যন্ত মনোনয়পত্র তোলা ও জমা দেয়া যাবে।

বিএনপির এই নেতা জানান, মনোনয়ন ফরম কিনতে হবে ১০ হাজার টাকায়; জমা দেওয়ার সময়ে জামানত হিসেবে দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা।

আগামী ৩০ জুলাই রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ জুন। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ৯ জুলাই পর্যন্ত।

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মাল শিশু!

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্ম নির শিশু! নবজাতকটির ছোট্ট শরীর থেকে বেরিয়ে আসা একটি মাংসপিণ্ড ধুকপুক করছে। এই দৃশ্যটি দেখার পরেই চমকে উঠেছিলেন চিকিৎসক। কেননা, হৃৎপিণ্ড যে শরীরের বাইরে।

তবে একটুখানি স্থিতিশীল করেই সদ্যনবজাতককে রেফার করে দিয়েছিলেন মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা। কিন্তু বাঁচানো যায়নি বিরল এ শিশুটিকে।

গত বুধবার বিকেলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম মেদিনীপুরের তেমাথানির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে শিশুটির জন্ম হয়। সিজার করেন ডা. মানস ঘোষ।

এ বিষয়ে নার্সিংহোমের কর্ণধার ডা. উত্তম বারিক জানান, শিশুটির বুক ভেদ করে হার্ট বেরিয়ে এসেছিল। আর কোনো অস্বাভাবিকতা ছিল না। স্বাভাবিক শিশুর মতোই কাঁদছিল সে। কিন্তু দুঃখের বিষয় শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি।

জানা গেছে, মেদিনীপুর মেডিকেল থেকে গত বুধবার রাতেই শিশুটিকে কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে মেডিকেল বোর্ড বসিয়ে সিদ্ধান্ত হয়, অস্ত্রোপচার করে শিশুটির হার্ট ভিতরে ঢোকানোর চেষ্টা হবে। কিন্তু তার আগেই শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। এরপর শিশুটির মৃত্যু হয়।

বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. প্রভাস প্রসূন গিরি জানিয়েছেন, ‘আমি জীবনে একবারই দেখেছি এমন শিশু। এই রোগকে বলে ‘এক্টোপিয়া কর্ডিস’। বিদেশে হলে তবু বাঁচে। এখানে বাঁচানো মুশকিল। আসলে, হার্ট বুকের ভিতরে ঢোকানোর মতো ‘স্পেস’ পাওয়াই মুশকিল।’

জানা যায়, প্রতি ১০ লাখে এমন একটি শিশুর দেখা মেলে বিশ্বে।

হার্ট শরীরের বাইরে নিয়ে জন্মানো তেমাথানির শিশুটি সম্পর্কে ডাক্তারদের মত, ইউএসজি-তে এই অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে ভাল হত। অস্ত্রোপচার করে এই শিশুদের সুস্থ করা খুব মুশকিল। তাছাড়া আরো অনেক অস্বাভাবিকতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কুতুবদিয়া থানার সাবেক ওসি কারাগারে যা জানা গেল

কক্সবাজার : দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা দুদকের মামলায় কুতুবদিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলতাফ হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আলতাফ হোসেন বর্তমানে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে কর্মরত আছেন।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে কক্সবাজার স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মীর শফিকুল আলম জামিন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
দুদক সূত্র জানায়,

২০১৪ সালে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের সিন্নিহাইয়া গ্রামের ইস্কান্দার মির্জার স্ত্রী জমিলা আক্তার বাদী হয়ে কুতুবদিয়া থানার তৎকালীন ওসি আলতাফ হোসেন ও উপপরিদর্শক এবিএম কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার স্পেশাল জজ আদালতে ফৌজদারি দরখাস্ত দায়ের করেন।

পরে ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক অজয় সাহাকে নির্দেশ দেন। অজয় সাহা মামলাটি তদন্ত করে ২০১৭ সালের ১৫ মার্চ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করেন। পরে আদালত দরখাস্তটি স্পেশাল মামলা নং ১৫/১৭ হিসেবে রুজু করেন। এরপর ওই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

দুদক সূত্র আরও জানায়, আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন ওসি আলতাফ হোসেন। পরে আদালতের বিচারক মীর শফিকুল আলম জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুদকের পক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন দুদক নিয়োজিত আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহিম।

আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট নুরুল মোস্তফা মানিক।
দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম জানান, আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামি আলতাফ হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

এ আদেশে দুদক সন্তুষ্ট। এ মামলায় অপর আসামি এবিএম কামাল উদ্দিন পলাতক রয়েছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকার শিল্প পুলিশে উপপরিদর্শক হিসেবে কর্মরত আছেন।

তিনি আরও বলেন, আগামী ২৬ জুন পরবর্তী মূল শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

রক্ত পরীক্ষায় জানাবে সন্তানের গর্ভের অবস্থা!

রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যাবে গর্ভের সন্তানের অবস্থা। এমনই এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ডেনমার্কের কোপেনহেগেনের স্টাটেনস সেরাম ইনস্টিটিউটের একদল বিজ্ঞানী।

নতুন এ পদ্ধতি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যাবে শিশুর জন্মের তথ্য। এমনকি ঝুঁকিতে থাকা গর্ভবতী নারী নির্ধারিত সময়ের কত আগে সন্তান প্রসব করতে চলেছেন, তাও জেনে নেওয়া সম্ভব হবে। ঐ দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে স্বল্প ব্যয়ের এ পদ্ধতিটি উদ্ভাবন করেছেন।

এই রক্ত পরীক্ষা পদ্ধতি অবলম্বন করে নবজাতক ও মাতৃমৃত্যুর হার এবং প্রসবকালীন জটিলতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে আশা বিশেষজ্ঞদের।

বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী সায়েন্স এ সংক্রান্ত একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। নিবন্ধতিতে বলা হয়েছে, স্বল্প ব্যয়ের এ পদ্ধতি অবলম্বন করে জানা সম্ভব যে, কোনও গর্ভবতী নারী পরিণত সন্তান প্রসব করতে চলেছেন কি-না। সময়ের আগে প্রসবের ৮০ শতাংশ তথ্য নিশ্চিত হওয়া সম্ভব এ পদ্ধতিতে।

মাওলানা সাঈদীর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে যা জানালেন মাসুদ সাঈদী

ছোট ভাইয়ের জানাজার নামাজ পড়াতে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও বিশিষ্ট মুফাসসিরে কুরআন কারাবন্দি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আজ মঙ্গলবার কোনো এক সময় তিনি মুক্তি পেতে পারেন।

এ বিষয়ে তার ছেলে ইন্দুরকানী উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী দুপুর ১২টার পর দিকে তার ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমার আব্বা আল্লামা সাঈদীর [হাফিজাহুল্লাহ] প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।

যদিও আমাদেরকে অফিসিয়ালি এখনো কোন কিছু তারা জানায়নি। তবে আমরা এখনো আশাবাদী। আল্লামা সাঈদী আসবেন এবং তিনিই জানাজার নামাজে ইমামতি করবেন ইনশাআল্লাহ।’

তবে মুক্তির প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত হচ্ছে- এ ধরনের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে তিনি বেলা ২টার কিছু আগে তিনি আরেকটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লিখেন- ‘এখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে আল্লামা সাঈদীর প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। প্রক্রিয়া শেষ করতে কতো সময় লাগে !!’

তার ছোট ভাই আলহাজ্জ্ব হুমায়ুন কবির সাঈদী (৫৬) গতকাল সোমবার সকালে ঢাকার ইব্রাহীম কার্ডিয়াক (বারডেম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তার মুক্তির কাগজপত্র তৈরি হয়নি বলে জানা গেছে। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, বিকাল ৩টা নাগাদ তাকে মুক্তি দেয়া হতে পারে।

এদিকে, গতকাল সোমবার মাসুদ সাঈদী বলেছিলেন, ‘আমার পিতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী কারাগারে থাকায় ছোট কাকার জানাজার নামাজ পড়াবার জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তির জন্য সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। তিনি প্যারোলে মুক্তি পেলে আগামীকাল

(আজ) মঙ্গলবার বাদ জোহর ঢাকায় মতিঝিল সরকারি বালক বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে আমাদের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় লাশ নিয়ে আসা হবে। সেখানে আমার পিতার প্রতিষ্ঠিত এস.ডি মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদরাসা মাঠে বুধবার দ্বিতীয় জানাজা শেষে সাঈদখালীর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।’

এর আগে ২০১১ সালের ২৭ অক্টোবর সাঈদীর মাতা গুলনাহার ইউসুফের মৃত্যুর পর এবং তার বড় ছেলে মাওলানা রাফিক বিন সাঈদী’র ২০১২ সালের ১৩ জুন মৃত্যুর পর তিনি প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তিনি ২৮ অক্টোবর মায়ের এবং ১৪ জুন ছেলের জানাজার নামাজ পড়ান।

মাসুদ সাঈদী জানান, ‘সরকার অবশ্যই আমার আব্বাকে তার ছোট ভাইয়ের জানাজার নামাজ পড়াতে মানবিক কারণে প্যারোলে মুক্তি দেবে বলে আশা করছি।’

এদিকে মরহুমের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি গাজী নুরুজ্জামান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, জেলা জামায়াতের আমীর সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা তাফাজ্জাল হোসইন ফরিদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর হাবিবুর রহমান।

হুমায়ুন কবির সাঈদী গত ৫ দিন ধরে নিউমেনিয়া জ্বরে এবং হৃদরোগেও আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ মেয়ে ও ১ ছেলে রেখে গেছেন।

নখ বলে দিবে আপনার রোগের খবর!
আপনার নখ এর ধরণ দেখেই আপনি আপনার স্বাস্থ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবেন। নখে বিভিন্ন পরিবর্তন লিভার, কলিজা ও হার্টের বিভিন্ন রোগের কারণে দেখা দিতে পারে। তবে এটাও মনে রাখতে হবে যে কখনো কখনো কোন ভয়ংকর রোগ ছাড়াও শুধু মাত্র যত্নের অভাবে নখে পরিবর্তন আসতে পারে।

১। বিবর্ণ বা মলিন নখ:

বিবর্ণ নখ , এই রোগ গুলোর কারণে হতে পারে। যেমন- অ্যানিমিয়া, যকৃতের রোগ, অপুষ্টি।

২। সাদা নখ:

যদি আপনার নখ একদম সাদা হয়ে যায় এবং নখের প্রান্ত গুলো ভেতরের সাদা অংশের চেয়ে আরও বেশি সাদা থাকে তাহলে তা সাধারণত লিভার এর সমস্যার কারণে হয়ে থাকে । যেমন- হেপাটাইটিস। জন্ডিস, লিভারের সমস্যা থেকেই হয়।

৩। হলুদ নখ:

হলুদ নখ হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো ফাঙ্গাল ইনফেকশন। ইনফেকশন যত বেশি হবে ততই আপনার হলুদ নখ মোটা হতে থাকবে। কোন কোন সময় থায়রয়েড সমস্যা, ফুসফুসে সমস্যা, ডায়াবেটিক অথবা সোরিয়াসিস এর কারণে হলুদ নখ হয়ে থাকে।

৪। নখে নীলচে ভাব:

আপনার নখে যদি নীলচে ভাব আসে তাহলে বুঝতে হবে যে আপনার শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন পাচ্ছেনা। এটা ইঙ্গিত করে ফুসফুস ইনফেকশন এর দিকে যেমন- নিউমোনিয়া। হার্টের সমস্যা থাকলেও নীলচে ভাব আসতে পারে নখে।

৫। রিপলড নখ:

আপনার নখে যদি ছোট ছোট ঢেউ এর মত দাগ দেখা যায় আর নখের নিচের ত্বকে যদি লালচে বা বাদামী ভাব আসে, তাহলে বুঝতে হবে যে এটা প্রাথমিক স্টেজ এর সোরিয়াসিস অথবা ইনফ্লামেটরি আরথ্রিটিস এর লক্ষণ।

৬। ভঙ্গুর নখ:

আপনার নখ যদি ভঙ্গুর হয়ে থাকে তাহলে সেটা অনেক সময় ইঙ্গিত করে থায়রয়েড রোগের এর দিকে। যদি ভেঙ্গে যাওয়ার পাশাপাশি নখ হলুদ হয়ে যেতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে যে এটা ফাঙ্গাল ইনফেকশন।

৭। নখের মাঝখানে কালো দাগ:

নখের মাঝখানে কালো দাগ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত কারন অনেকসময় স্কিন ক্যান্সারের কারণে নখে এই পরিবর্তন আসতে পারে।

নখের রঙ ও ধরণে কোন সমস্যা দেখা দিলেই যে সেটা এই রোগ গুলোর লক্ষণ হবে সেটা বলা পুরোপুরি সঠিক নয়। তবে যেহেতু বিভিন্ন রোগের সময় নখে পরিবর্তন আসে তাই নখের রঙ আর ধরণ হঠাৎ বদলে গেলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া ভাল।

অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন বিএনপি নেতা মোশাররফ!

কুমিল্লা: কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা সদরে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের গাড়িবহর। এ ঘটনায় রায়হান নামে এক ছাত্রদলকর্মী নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় দাউদকান্দি থেকে ২৫টি মাইক্রোবাসের বহর নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের ছেলের বৌভাত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আমিরাবাদ ইউটার্নে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস বেপরোয়া গতিতে এসে তার বহরের তিনটি মাইক্রোবাস ও দাঁড়িয়ে থাকা দু’টি প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দেয়।

এতে ঘটনাস্থলেই দাউদকান্দি পৌর ছাত্রদলকর্মী রায়হানের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পৌর ছাত্রদল সভাপতি আল আমিনসহ গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। তাদের মধ্যে ১০ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াতে হবে
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যে হতাশাজনক পরিস্থিতি মোকাবেলা করছে, সেটাকে আমরা কেউ তুচ্ছ করে দেখতে পারি না। এটা সাম্প্রতিক সময়ে একটি বৃহত্তম মানবিক সঙ্কট। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে শরণার্থী শিবিরগুলোতে গিয়েছি। সেখানে ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী কয়েকটি গ্রামে সম্পূর্ণরূপে হত্যাকাণ্ড চালানোসহ অবর্ণনীয় সহিংসতা এবং চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন করার কারণে যেসব রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে গেছে, তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেছি; কথা বলেছি। ২০১৭ সালে মিয়ানমারে যে গণহত্যা ঘটেছে- সেটা শুরু হয়েছিল কয়েক দশক আগে। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের একঘরে তথা বিচ্ছিন্ন করে রাখা এবং তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের উদ্যোগ আয়োজন ও প্রচার অভিযানের ফলে শেষ এই নৃশংসতা সঙ্ঘটিত হলো। বিষয়টি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে পেশ করার প্রতি সমর্থন জানাই।

বাংলাদেশে এসব মানুষ এখন দ্বিতীয় ট্র্র্যাজেডির মুখোমুখি। বর্ষা মওসুম আগমনের কারণে অনেক মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। কক্সবাজারের বৃহত্তম শরণার্থী শিবির, কুতুপালং আমি পরিদর্শন করেছি। সত্যিকার অর্থে কেবল বাঁশ ও পলিথিনের সাহায্যে এসব শিবির নির্মাণ করা হয়েছে। এগুলো বর্ষা মওসুমের উপযোগী নয়। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব আশ্রয় ধ্বংস হয়ে যাবে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে আর অপর্যাপ্ত স্যানিটেশনের কারণে পানিদূষণের ঝুঁকি বাড়ছে এবং এতে কলেরার মতো রোগের প্রাদুর্ভাবের মাধ্যমে উদ্বাস্তুরা বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।

মৌলিক সেবাগুলোও বিপদের মুখে রয়েছে। ৩২ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং অনেক পুষ্টি কেন্দ্র হুমকির মুখে থাকায় গর্ভবতী ৬০ হাজার নারীর জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এসব রোহিঙ্গা নারীর বেশির ভাগই মিয়ানমার সেনাদের নির্যাতনে অনাকাক্সিক্ষতভাবে গর্ভবতী। তাদের অনাগত সন্তানের অপুষ্টি, নারীদের সন্তান জন্মদান, নবাগত শিশুদের দুগ্ধ ও খাদ্যসংক্রান্ত জটিলতার কারণে নারী ও শিশুরা নানা জটিলতার মুখে পড়তে পারে। শরণার্থী শিবিরে দ্রুত ও অপরিকল্পিত লোকসংখ্যা বৃদ্ধি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। অবশ্য সেখানে পরিস্থিতির উন্নতি করার সুযোগ আছে।

তাই শিশুসহ হাজার হাজার মানুষের জীবনহানির আগেই অবিলম্বে উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। অন্যদের মধ্যে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে আর্থিক সহায়তার ডাকে সাড়া দিয়ে এগিয়ে এসেছে। তারা ৫৯ মিলিয়ন পাউন্ড সহায়তা দানের উদ্যোগ নিয়েছে। এ ছাড়া তারা আরো ৭০ মিলিয়ন পাউন্ড দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যা হোক না কেন, কেবল অর্থ সহায়তার মাধ্যমে এই সঙ্কট অবিলম্বে সমাধান করা সম্ভব হবে না। বর্তমান বাস্তবতায় সীমান্তের উভয় পক্ষের সঙ্কট সমাধানে যুক্তরাজ্য রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্বে অবতীর্ণ হয়ে সঙ্কট সমাধানে এগিয়ে আসবে- এটাই কাম্য।

জাতিসঙ্ঘ এবং অন্যান্য সাহায্য সংস্থা শরণার্থী শিবিরে প্রবেশ করতে গিয়ে লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে আটকে যাচ্ছে। শরণার্থী শিবিরে সেবাদানের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে তালিকাভুক্ত করতে আমাদের অবশ্যই বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করতে হবে। এতে টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের জন্য সহজ হবে বাংলাদেশীদের সহায়তা দেয়াটা। এসব বিশেষজ্ঞ সহায়তা ছাড়া স্বাস্থ্য সহায়তা, খাদ্য এবং শিক্ষাগত বিষয়ে প্রায় অর্ধলাখ লোক সেবা দিতে পারবে না।

রোহিঙ্গাদের তাদের দেশ- মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার সর্বোচ্চ মাত্রার অধিকার রয়েছে। তাদের এই অধিকার অবশ্যই রক্ষা করতে হবে। যে পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে, বল প্রয়োগের মাধ্যমে এখনো সেই পরিস্থিতি অব্যাহত রাখা হয়েছে। তাই এ ব্যাপারে সেবা গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আনান কমিশন রাখাইন রাজ্যের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে এর পরিপ্রেক্ষিতে রোহিঙ্গাদের বিচ্ছিন্ন ও একঘরে করে রাখার বিরুদ্ধে যে পরিকল্পনা ও সুপারিশ পেশ করেছে, তা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদন পেয়েছে। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে, মিয়ানমার সরকারের প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে আঞ্চলিক খেলোয়াড় তথা কুশীলবদের সাথে অংশদারিত্বের ভিত্তিতে যুক্তরাজ্য সঙ্কট সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নে মনোযোগী হবে। এ ক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেয়ার বিষয়কে অবশ্যই অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং এটা এগিয়ে নিতে হবে।

অপর দিকে, দীর্ঘ মেয়াদে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই এই সঙ্কট সমাধানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করতে হবে। সঙ্কটকে সংজ্ঞায়িত করা এবং সঙ্কট সমাধানের লক্ষ্যে অর্থায়নের ব্যাপারে সম্মত হতে এবং সাড়া দিতে হবে- যাতে শরণার্থীদের আশ্রয়দাতা দেশ হিসেবে উদ্বাস্তুদের আত্মনির্ভরশীল করতে এবং তাদের অবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ উদ্যোগী হতে পারে।

এ ছাড়া জর্ডান, লেবানন এবং ইথিওপিয়াসহ, শরণার্থীদের আশ্রয়দাতা অন্যান্য দেশের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করা দরকার, যাতে শরণার্থী বিষয়ে অগ্রগতি হয়। কিছু বিষয়ে বিশ্ব কেবল ‘লিপ সার্ভিস’ দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এখন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার সময়। লাখ লাখ শরণার্থীর ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ ইতোমধ্যেই অনেক দেরি হয়ে গেছে।
লেখক : যুক্তরাজ্যের লেবার দলীয় এমপি
ভাষান্তর : এম কে বাশার

ব্রেকিং:আল্লামা সাঈদীকে প্যারোলে মুক্তি – Diganta

ঢাকা: ছোট ভাই মৃত হুমায়ুন কবীর সাঈদীর জানাজায় অংশ নিতে আল্লামা দেলোয়ার হেসাইন সাঈদীকে প্যারোলে মুক্তির আবেদন অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে রাজধানীর মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (শাহজাহানপুর) মাঠে ছোট ভাইয়ের জানাজায় ইমামতি করবেন বলে জানা গেছে।

তার পারিবারিক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিকেল ৩টার পর জানাজা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আল্লামা সাঈদীর উপস্থিতির জন্য জানাজায় কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।

এ রিপোর্ট লেখার সময় মঙ্গলবার বেলা পৌনে তিনটায় কাশিমপুর কারাগার থেকে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্যারোলে মুক্তির জন্য তৎপরতা চলছিল।

হঠাৎ পেট ব্যথা কিসের লক্ষণ?

পেটে হঠাৎ ব্যথা বা অস্বস্তি শুরু হয়েছে। বুঝতে পারছেন না, এটা গ্যাস্ট্রিক নাকি অন্য কিছু। সব সময় যে কেবল গ্যাস হলেই পেটব্যথা হয়, তা নয়। এমন ব্যথার সঠিক স্থান, ধরন-ধারণ, আনুষঙ্গিক উপসর্গ ইত্যাদি মিলিয়ে কারণ বোঝা যেতে পারে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা তো লাগবেই।

জীবনযাত্রায় অতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষ। সেই সঙ্গে বেড়েছে খাওয়ায় অনিয়ম। আর এ অনিয়মের সঙ্গে আপনার সঙ্গী হয়েছে গ্যাস্ট্রিক-আলসারের মতো কিছু রোগ। বর্তমান সময়ে পেটের যে রোগটিতে বেশিরভাগ মানুষ ভুগে থাকেন তা হল আলসার।

পেটের ভিতর ক্ষত বা ঘা হওয়াকে আলসার বলা হয়ে থাকে। আলসারকে সাধারণ রোগ ভাবার কোন সুযোগ নেই। শুরুতে সঠিক চিকিৎসা নিলে আলসার সহজে ভাল হয়ে যায়, অন্যথায় মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আলসার হয়ে উঠতে পারে জীবনঘাতি।

১। বুক জ্বালাপোড়া

আলসারের প্রথম এবং শুরুর লক্ষণ হল বুক জ্বালাপোড়া করা। মশলাদার খাবার বা তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পর বুক ও পেটের সংযোগস্থলে জ্বালাপোড়া করে। তার সাথে সাথে টক ঢেঁকুর আসা। এটি আলসারের প্রথম ও প্রাথমিক লক্ষণ।

২। পেট ফাঁপা ও বায়ু ত্যাগ

কোন কিছু না খেয়েই পেট ভরা মনে হবে। পেটের গ্যাসের কারণে পেট ভরা মনে হয়ে থাকে। খাবারের পর পর বা যেকোন সময় অস্বস্তির সাথে পেট ফাঁপা অনুভূত হবে। কিছুক্ষণ পর পর বায়ু ত্যাগের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৩। রক্তবমি

অনেক সময় আলসারের রোগীর রক্তবমি হতে পারে। তবে বমির সাথে টাটকা রক্ত বের হবে না। বমি ও রক্ত মিশে খয়েরি রংয়ের বমি হতে পারে। যদি এমন হয় তবে বুঝতে হবে আলসার অনেক মারাত্নক পর্যায়ে চলে গেছে। অতিসত্বর চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

৪। অস্বাভাবিক পেট ব্যথা

নাভির ডান বা বাম পাশে অল্প একটু জায়গায় চিন চিন ব্যথা অনুভূত হওয়া। অনেক সময় পেটের কোথাও ব্যথা অনুভূত না হয়ে বুকের মাঝখানে চাপ চাপ ব্যথা হওয়া এবং অস্বস্তি বোধ করা। আবার অনেক সময় এই ব্যথা পিঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। অ্যাসিড রিফ্ল্যাক্সের ফলে এই ব্যথা হয়ে থাকে। কখন কখনও এই রকম পেটে ব্যথার কারণে রাতে ঘুম থেকে উঠে বসে থাকতে পারে রোগী।

৫।কালো পায়খানা

আলসার যখন মারাত্নক আকার ধারণ করে তখন পেটের ভিতর রক্তক্ষরণের কারণে রোগীর ঘন, আঠালো এবং কালচে রংয়ের পায়খানা হতে পারে। এইরকম লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৬। ওজন কমে যাওয়া

খাবার কম খাওয়ায় দিন দিন রোগীর ওজন কমতে থাকতে। হজমের গোলমালের কারণে এই সমস্যাটা হয়ে থাকে।

৭। খাবারের অরুচি

আলসারের রোগীর খাওয়ার প্রতি আগ্রহ কমে যায়। খাবারে অরুচি দেখা দেয়। পরিমাণমত খাবার না খাওয়ায় শরীর হয়ে পড়ে দুর্বল। এর কারণে রক্ত স্বল্পতা, গা ম্যাজ ম্যাজ করা, অল্প কাজে ক্লান্ত বোধ করার সমস্যা দেখা দিতে পারে।